বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটের মহিষখোচাঁয়  ৫৯১ মুস্তাহিক পরিবারের মাঝে, যাকাত তহবিল হস্তান্তর পরিকল্পিত সন্ত্রাসে দেশ অস্থিতিশীলের ষড়যন্ত্র, সুন্দরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই ‎গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে পৌর ছাত্রদলের মিছিল প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন এনসিপি নেতা কালিয়াকৈরে বিভিন্ন অপকর্ম বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা ব্যবসায়ীকে মারধর ও থানায় আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ, ওসির বিভাগীয় শাস্তির দাবি লালমনিরহাট জেলা কারাগারে ১৫ দিনে একবার দেখা! অতিরিক্ত বন্দীতে স্বজনদের দুর্ভোগ
২ সন্তানের জননীসহ আটক বিএনপি নেতা, সামাজিক রায়ে সম্পন্ন হল বিয়ে!

২ সন্তানের জননীসহ আটক বিএনপি নেতা, সামাজিক রায়ে সম্পন্ন হল বিয়ে!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার রিফাইতপুর গ্রামে এক নারীর সঙ্গে অবস্থানকালে স্থানীয়দের হাতে আটক হন আফসার আলী (৪০) নামের বিএনপির এক স্থানীয় নেতা। পরে সামাজিক সমাধানের অংশ হিসেবে উভয়ের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। আফসার আলী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গাইবান্ধা সদরের বাদিয়াখালী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৌরভ তৌহিদ গণমাধ্যমকে জানান, “পরিস্থিতি এমন ছিল যে, উভয়ের মধ্যে বিয়ের ব্যবস্থা করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা ছিল না।” পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে পুরাতন বাদিয়াখালী রিফাইতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক হওয়া নারী পিয়ারী বেগম (৩৮) ওই গ্রামের মৃত সাদেকুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি ২০২০ সালে করোনায় স্বামী হারান এবং দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করে আসছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর ধরে আফসার আলীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

এলাকাবাসীর সন্দেহের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে আফসার আলী ওই বাড়িতে এলে স্থানীয়রা তাদের একটি কক্ষে দেখতে পান এবং আটক করেন। পরে বিষয়টি পুলিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের জানানো হয়।

পিয়ারী বেগম জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই আফসার আলীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল এবং তিনি বিয়েতে সম্মত হয়েছেন। অন্যদিকে আফসার আলী দাবি করেন, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁসানো হয়েছে, তবে গ্রামের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর ইসলাম তালুকদার বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়রা উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা সম্পন্ন হয়।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com